কেন্দুয়ায়  ঘুর্ণিঝড়ে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

প্রকাশিত: ৯:৪১ অপরাহ্ণ, মে ৩১, ২০২১
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের বালিজুড়া বাজার সহ তিনটি গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড়ে শতাধিক ঘরবাড়ি ও দোকান পাট লন্ডভন্ড হয়ে গেছে।

আজ সোমবার (৩১ মে) বেলা ২ টার দিকে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডবে  বালিজুড়া বাজার, নোয়াদিয়া, ভরাপাড়া ও লস্করপুর গ্রামের শতাধিক ঘর বাড়ি লন্ডভন্ড হয়। এছাড়া অনেক গাছপালা ভেঙ্গে ও উপরে পড়ে যায়।

বলাইশিমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আকবর তালুকদার মল্লিক জানান, ঘরের নিচে চাপা পরে ভরাপাড়া গ্রামের রইছ উদ্দিনের স্ত্রী তাহেরা খাতুন, আব্দুল হকের ছেলে শাকিল, সাদেক মিয়ার ছেলে সুহান, একলাছ মিয়ার স্ত্রী মনোয়ারা ও বালিজুড়া বাজারে আব্দুল আওয়ালের স-মিলের ঘরের চাপায় নোয়াদিয়া গ্রামের হাদিস মিয়া, সেলিম, রনি ও রিয়াদ আহত হয়। আহতদের মধ্যে তাহেরা খাতুনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানান তিনি।

খবর পেয়ে কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নূরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মইন উদ্দিন খন্দকার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদি হাসান মৃধা ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় ছুটে যান। তারা ক্ষতিগ্রস্থদের সরকারের যথাযথ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ইউএনও মোঃ মইন উদ্দিন খন্দকার বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে শতাধিক ঘর বাড়ি ভেঙ্গে লন্ডভন্ড হয়েগেছে। ইউনিয়ন পরিষদ ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরি করছে। তালিকা হাতে পেয়েই তাদের যার যে সব ক্ষতি হয়েছে তা নির্ণয় করে সাধ্যমত সহযোগিতা দেয়া হবে।

তিনি জানান, জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় মঙ্গলবার সকাল থেকে ক্ষতিগ্রস্থদের চাল, ডাল, লবন, তেল সহ শুকনো খাবার দেয়া হবে। ঘর চাপায় আহত নারী তাহেরা খাতুন সহ অন্যান্যদের চিকিৎসার জন্য জরুরী আর্থিক সহযোগিতা করা হবে।

ইউপি চেয়ারম্যান আলী আকবর তালুকদার মল্লিক আরো জানান, ক্ষতিগ্রস্থ কাউকে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতে হবেনা। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তারা নির্মিত আশ্রয়ন প্রকল্প ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জরুরী ভাবে আশ্রয় নিতে পারবেন।

এদিকে এম.পি অসীম কুমার উকিল ক্ষতিগ্রস্থদের যথাযথ সহযোগিতার জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়েছেন বলে জানান।