পূর্বধলায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রীতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট

প্রকাশিত: ৮:৪৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৬, ২০২১

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে পূর্বধলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের বাদেবিন্নায় গ্রামে বৈশাখী স্পোর্টিং ক্লাব এবং বৈশাখী গ্রন্থাগার এর উদ্যোগে এক প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচের আয়োজন করা হয়৷ উক্ত খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক রেজুয়ানুল ইসলাম রনি,বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ রুবেল, ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম রিপন, শালথী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাসুদ রানা, শালথী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরিফুজ্জামান সহ আরো ক্রীড়ামোদী অনেক দর্শক।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্বের মানচিত্রে নতুন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল একটি ভূখন্ড যার নাম বাংলাদেশ। সবুজের জমিনে রক্তিম সূর্যখচিত মানচিত্রের এ দেশটির ৪৯ বছর পূর্তি উদযাপন করছি আমরা। ৫০ বছরে পা রাখতে চলেছে প্রিয় বাংলাদেশ। ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করবে বাঙালি জাতি।

বিজয় অর্জনের পর ৪৯ বছরের পথচলায় দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। একাত্তরে স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটি স্বতন্ত্র দেশ পেয়েছি, আর তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গড়ে তুলতে চলেছি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

স্বাধীনতার পর ‘তলাবিহীন ঝুড়ির’ দেশ আখ্যা দিয়ে যারা অপমান-অপদস্থ করেছিল, সেই তাদের কণ্ঠেই এখন বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা। দারিদ্র্য আর দুর্যোগের বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণের পথে। অনেকের জন্য রোলমডেল।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিসহ আর্থসামাজিক প্রতিটি সূচকে এগিয়েছে বাংলাদেশ। বিজয়ের এই ক্ষণে সমৃদ্ধির এ ধারা ধরে রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর এই আহ্বানকে সম্মনিতভাবে বাস্তবায়নের জন্য তিনি বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এই সময় আরো বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথিবৃন্দ,  উক্ত খেলার আয়োজক কমিটির সভাপতি আব্দুস সালাম সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উক্ত প্রীতি ম্যাচে শেখ রাসেল একাদশ ১০ রানে শেখ কামাল একাদশকে পরাজিত করে। শেখ রাসেল একাদশ এর পক্ষে সর্বোচ্চ ৩০ রান সংগ্রহ করে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয় ইবনে হারিস আকন্দ সুমন৷ অপর দিকে শেখ কামাল একাদশ এর পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রহ করে খোকন।

পুরষ্কার বিতরণ

বিজয়ী দলের অধিনায়ক রবিন চমৎকার টুর্নামেন্ট আয়োজন করার জন্য আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানান৷ আয়োজক কমিটিকে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য সাদেক, মুন্না, রাজন, মাহবুব,সৈকত,বাবু,প্রান্ত,হৃদয়, কাউসার,মিলন,দেলোয়ার, সোহেলকে ধন্যবাদ জানান আয়োজক কমিটির সভাপতি আব্দুস সালাম।