মদনে সাক্ষরতা প্রকল্পের কাজ বন্ধ শিক্ষকদের টাকা হরিলুট

প্রকাশিত: ১২:৫৭ অপরাহ্ণ, মে ৩১, ২০২২

মৌলিক সাক্ষরতা” বাংলাদেশের সংবিধানে সকল নাগরিকের শিক্ষার সুযোগ প্রদানসহ দেশ হতে নিরক্ষরতা দূরীকরণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করা করেছেন সরকার।

সবার জন্য শিক্ষা’ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ফোরামে অঙ্গীকারাবদ্ধ । এছাড়া বর্তমান সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দেশ থেকে নিরক্ষরতা দূর করবে।

নেত্রকোনার মদনে মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের শিক্ষকদের টাকা আত্মসাৎদের অভিযোগ উঠেছে পূর্বধলা আরিফুল ইসলাম ও এরিয়া ম্যানেজার বাপি দত্ত এবং অফিস সমন্বয়কারী এরশাদ মিয়ার বিরুদ্ধে মৌলিক সাক্ষরতা শিক্ষকদের টাকা হরিলুটের অভিযোগ।

সূত্রে জানা যায়, সারাদেশের ন্যায় মদনেও মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের ১৫ বছরের ঊর্ধ্বে নারী -পুরুষ বয়স্কদের সাক্ষরতা শিক্ষাদানের স্কুল সিস্টেম চালু করে শিক্ষাদানের নির্দেশ এ প্রকল্পে।
কিন্তু মদন উপজেলার অনেক জায়গায় খুঁজে কোথাও পাওয়া যায়নি ,এ ধরনের মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্প পাঠদানের কার্যক্রম , মদনের বিভিন্ন জায়গা ঝুলিয়ে রেখেছে সাইনবোর্ড । অফিসে কাগজপত্রে আছে, বাস্তবে নাই। মদনের প্রতিটি ইউনিয়নের কাগজপত্রের শিক্ষকদের টাকা নিয়ে চলছে ভাগাভাগি ও হরিলুট।

ঈদ উল ফিতরের আগে প্রতিটি ইউনিয়নের মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের শিক্ষকদের দু ,মাসের বেতন ৭ হাজার ২ দুইশত করে টাকা বেতন বইয়ে সিগনেচার করান শিক্ষকদের, পরে তাদের হাতে দু মাসের বেতন দেয়া হয় ৪ হাজার ৮ শত করে টাকা । আবার অনেক শিক্ষকদের পুরো টাকাই মেরে দিয়েছে, এ ধরনের অভিযোগ রয়েছে অনেকের।

প্রতিটি ইউনিয়নের মৌলিক সাক্ষরতার অনেক শিক্ষকই, নেত্রকোনার এরিয়া ম্যানেজার বাপ্পি দত্ত, অফিস সমন্বয়কারী এরশাদ মিয়ার কাছে অনেকই প্রশ্ন করেছেন,

আমাদের বেতন দেওয়ার কথা ৭ হাজার ২ টাকা করে, কিন্তু ৪ হাজার ৮ শত করে টাকা দেওয়া হল, বাকি টাকা, এ প্রশ্নের জবাবে নেত্রকোনার সাক্ষরতা প্রকল্পের অফিস সমন্বয়কারী এরশাদ মিয়া বলেন, নেত্রকোনা মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের প্রধান পূর্বধলার আরিফুল ইসলাম, এই প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করেন।

আমি তার অধীনে চাকরি করি ,উনি বলেছেন, এ বেতন পাশ করাতে বিভিন্ন অফিসে টাকা দিতে হয়েছে, এজন্য আপনাদের বেতন ৭ হাজার ২ শত টাকা থেকে ৪ হাজার ৮ শত করে টাকা দেওয়া হয়েছে।

উক্ত বিষয়ে নেত্রকোনা মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের প্রদান আরিফুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, সাক্ষাতে কথা বলেন, এ বলে মোবাইল ফোনটি কেটে দেন।